ফিচার লেখার কৌশল

Share:

বৈশিষ্ট্য :
১. কোমল, মসৃণ, প্রাঞ্জল আর শিল্পগুণ সম্পন্ন, আকর্ষণীয়
২. তবে এটা মানুষের জীবনযাপন থেকে শুরু করে যেকেনো বিষয় যেমন অনুসন্ধানী রিপোর্টের ক্ষেত্রেও হতে পারে
৩. অর্থাৎ ফিচার হতে পারে যেকোনো নিউজ, ব্যবসা-বাণিজ্য, খেলাধুলা থেকে শুরু করে শিল্প, সাহিত্য, ইতিহাস, ঐতিহ্য সবকিছু নিয়ে
৪. আর এ কারণেই নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ের ভিত্তিতে ফিচারকে সংজ্ঞায়িত করা যায় না। যেমনটি একটা হার্ড নিউজের ক্ষেত্রে হয়।


পার্থক্যগুলো দেখুন :

ইন্ট্রো
নিউজের মতো ফিচারে ফাইভ ডব্লিউ (কে, কী, কোথায়, কখন এবং কেন) নিয়ম মানতে হয় না। ফিচার শুরু করতে হয় অনেকটা ছোট গল্পের টেকনিক খাটিয়ে। এর ইন্ট্রো হতে পারে কয়েকটি প্যারা নিয়ে। শুরুটা হতে পারে মাঝখান থেকে কোনো আকর্ষণীয় বিষয় বা দৃশ্য দিয়ে।

গতি
নিউজের চেয়ে ফিচারের গতিময়তা কম থাকবে। ধীরে ধীরে মূল বিষয়ে দিকে যেতে হবে। সময় নিয়ে শব্দ-বাক্যের জাদু দিয়ে পাঠককে শেষ পর্যন্ত গল্পটা পড়তে বাধ্য করতে হবে।

দৈর্ঘ্য
মনের মাধুরী মিশিয়ে লেখার সুযোগ থাকে। এ কারণে ফিচারের দৈর্ঘ্য নিউজের চেয়ে বড় হয়। তবে সব সময় যে বড় হতেই হবে এমন বাধ্যবাধকতা নেই। অনলাইনের ক্ষেত্রে এক হাজার শব্দের মধ্যে থাকলে ভালো হয়।

গুরুত্ব পাবে মানুষ
নিউজে সাধারণত গুরুত্ব দেয়া হয় ঘটনায়। কিন্তু ফিচার গুরুত্ব দেবে মানুষ বা প্রাণী বা বস্তুর ওপর। এখানে মানবীয় বিষয়গুলোকেই চিত্রিত করতে হবে। এ জন্য ফিচারকে মানুষের গল্পও বলা হয়। যেমন : একটা নিউজ স্টোরি হয় একটি কারখানার এক শ্রমিককে নিয়ে। কিন্তু ওই একই গল্প ফিচারে বলা হয় একজন শ্রমিককে ঘিরে। সেই শ্রমিক হয়ত হয়ে ওঠে এক হাজার জনের প্রতিনিধি।

কোন মন্তব্য নেই