নুসরাত ফারিয়া, টিভি উপস্থাপিকা, রেডিও জকি থেকে অভিনেত্রী। নায়িকা হিসেবে অভিষেক ‘আশিকী’তে। ডেব্যুই হলো তার ওপারের সিনেমা দিয়ে। সেই আনন্দ এবং অহঙ্কারে বেশ আকাশে উড়লেন। এরই মধ্যে হলিউডে লিপকিস মাস্টার ইমরান হাশমির সাথে ছবি করার গুজবও উঠলো (নাকি নুসরাত নিজেই ছড়ালেন কে জানে!)। তবে ওই পর্যন্ত শেষ। বাংলাদেশের উঠতি নায়িকাদের শেষ ভরসা আব্দুল আজিজ। সেই আজিজের কোলেই বসলেন নুসরাত ফারিয়া। জাজ মাল্টিমিডিয়ার প্রযোজনায় এলো প্রেমী ও প্রেমী।

শোনা যাইতেছে সিনেমা রিলিজের আগেই নাকি টাইটেল সং হিট!!! প্রথম দিনে ২ লক্ষ, দ্বিতীয় দিনে ৩ লক্ষ এবং তৃতীয় দিনে প্রায় ৪ লক্ষ ভিউ...প্রশংসার বন্যায় ভেসে যাচ্ছে নায়ক নায়িকা- এমন স্ট্যাটাস দিয়ে উদযাপন করেছেন নুসরাত ফারিয়া।
তবে যেই নুসরাতের একটা অ্যাপিলিং ছবিই একদিনে এক লক্ষ লাইক পাবার জন্য যথেষ্ট। তার মিউজিক ভিডিও যা সিনেমার গান যাই বলি এক দিনে দুই লাখ তিন দিনে তিন লাখ ভিউ খুব একটা উদযাপনের বিষয় বলে মনে হয় না। ফারিয়া নিজেই হিট (হট বলেই হয়তো!), সিনেমা হিটের জন্য আর অপেক্ষার কি দরকার। তার মানে বাঙালি ঘরকুনো দর্শক ফেসবুকে ফারিয়াকে দেখে অনেক রাতে অনেক হাত মেরেছে।
অথচ এই মেয়েটাই যখন কলকাতার সিনেমাতে অভিনয় করতে গেল, বলিউডে অভিনয়ের কথা উঠলো বাঙালি সব হইহই করে উঠলো। মাগী বলে গালি দিতেও ছাড়েনি।
অবশেষে বুঝা গেল ঈর্ষাটা কোথায়। দেশের জিনিস বিদেশিরা খাবে কেন? এই যে মর্ষকামী বাঙালি যারা আবার যৌনতা নিয়ে আলাপ করতে সঙ্কুচিত তাদের দণ্ডমুণ্ড ভালোই হেফজ করেছেন নুসরাত ফারিয়া। এই কারণেই তার দাঁত ফসকে বেরিয়ে যাওয়া আহ্লাদি বচন শুনে কতোজনেই যে কাত!!! তার ফেসবুক পাতায় ছড়িয়ে আছে সেই বাঙালি ভালোমানুষের (?) পাল।

কোন মন্তব্য নেই