লোকায়ত ইসলামের আড়ালে বুদ্ধিবৃত্তিক আধিপত্য

Share:
ইসলাম ও নদীয়ার ভাব ফরহাদ মজহার ও মাহফুজ আলম


ফরহাদ মজহার দীর্ঘকাল ধরে ‘সেকুলার-ইসলামিস্ট বাইনারি’ ভাঙার কথা বললেও, বর্তমানে তার এবং তার শিষ্য মাহফুজ আলমের অবস্থান মূলত একটি নতুন ‘আদর্শিক শুদ্ধিবাদ’ বা Puritanism তৈরি করেছে।


মজহার যখন ইসলামিস্টদের একাংশকে ‘জাতিবাদী ইসলাম’ কিংবা ‘ধর্মীয় ফ্যাসিবাদ’ হিসেবে চিহ্নিত করেন, তখন তিনি আসলে ঐক্যের বদলে একটি ছাঁকুনি (Filter) তৈরি করেন। এই ধরণের তকমাগুলো তরুণ অভ্যুত্থানকারীদের মধ্যে ‘কে বেশি প্রগতিশীল’ আর ‘কে বিপজ্জনক মৌলবাদী’—এই ধরণের পারস্পরিক সন্দেহ তৈরি করেছে।


মাহফুজ আলমের তাত্ত্বিক বয়ানগুলোতে এক ধরণের ‘লিবারেল হেজিমনি’ বা বুদ্ধিবৃত্তিক শ্রেষ্ঠত্বের সুর পাওয়া যায়, যা ইসলামিস্ট গ্রুপগুলোকে ডিফেন্সিভ মোডে ঠেলে দিয়েছে। ফলে, যে ফাটলটি অবতলে ছিল, এই তাত্ত্বিক আক্রমণ তাকে উপরে তুলে এনে স্থায়ী ফাটলে রূপ দিয়েছে।


মজহারের প্রাক্তন শিষ্য হওয়া সত্ত্বেও পিনাকী ভট্টাচার্য আজ ভিন্ন একটি লাইনে দাঁড়িয়েছেন। পিনাকী বুঝতে পেরেছেন যে, এই মুহূর্তে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো ‘মজলুমের ঐক্য’। পিনাকী নিজের শাহবাগী অতীত নিয়ে অনুতপ্ত হয়ে যে নতুন অবস্থান নিয়েছেন, তা অনেক বেশি ইনক্লুসিভ। তিনি লেফট-লিবারেল ও ইসলামিস্টদের মধ্যকার ভাঙন এড়াতে সচেতনভাবে কাজ করছেন। পিনাকীর এই অবস্থানে মাহমুদুর রহমানের ‘কম্প্রোমাইজহীন’ এবং ‘সাহসী’ সাংবাদিকতার একটি বড় প্রভাব আছে। মাহমুদুর রহমান যেমন ইসলামিস্টদের সেন্টিমেন্ট বোঝেন, পিনাকীও সেই পালসটি ধরতে পেরেছেন। ফলে তিনি ‘শহীদ উসমান হাদি’র লাইনের সাথে নিজেকে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে নিতে পেরেছেন।


পিনাকী ভট্টাচার্য কেন ইসলামিস্টদের কাছে মজহারের চেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য? উত্তরটি হলো—সহমর্মিতা ও অংশগ্রহণ। মজহার ও তার অনুসারীরা (গং) ইসলামিস্টদের দেখেন অনেকটা ‘ল্যাবরেটরির সাবজেক্ট’ হিসেবে, যাদের সংস্কার বা সংশোধন করা প্রয়োজন। অন্যদিকে, পিনাকী ইসলামিস্টদের দেখেন ‘রাজনৈতিক অংশীদার’ হিসেবে। তিনি তাদের 'জাতিবাদী' বা ‘ফ্যাসিবা্দী’ ট্যাগ দেন না। পিনাকী ও মাহমুদুর রহমানের এই লাইনের কারণে তারা ইসলামিস্টদের সাথে যে ইমোশনাল এবং পলিটিক্যাল কানেকশন তৈরি করতে পেরেছেন, মজহারের তাত্ত্বিক ধোঁয়াশা ও জটিলতা সেখানে পৌঁছাতে পারেনি।


এই যে মজহার-মাহফুজ এবং পিনাকী-মাহমুদুর রহমানের দুটি ধারা—এর ফলেই এনসিপি-র ভেতরে ফাটল তৈরি হয়েছে। বুদ্ধিবৃত্তিক এই লড়াইকে এখন রাষ্ট্রীয় এজেন্সিগুলো সুনিপুণভাবে ব্যবহার করছে। তরুণরা যখন নিজেদের ভেতর ‘ইসলামিজম’ ও ‘লিবারেলিজম’ নিয়ে লড়ছে, তখন প্রথাগত এস্টাবলিশমেন্ট বা পুরনো শক্তিগুলো পেছন থেকে হাসছে। কারণ, অভ্যুত্থানকারী শক্তি যতক্ষণ বিভক্ত, ততক্ষণ এস্টাবলিশমেন্ট নিরাপদ।


১. ভৌগোলিক বিভাজন ও বিউপনিবেশায়নের ছদ্মবেশ:

ফরহাদ মজহার এবং মাহফুজ আলমের অবস্থানটি একটি সূক্ষ্ম পদ্ধতিগত বিচ্যুতির ওপর দাঁড়িয়ে। মজহারের দাবি—তিনি মার্কসবাদকে বাংলার ভাবান্দোলনের সাথে জারিত করে 'বিউপনিবেশায়ন' করছেন। কিন্তু এখানে একটি সূক্ষ্ম জ্ঞানতাত্ত্বিক উপনিবেশবাদ সক্রিয়। তারা দুজনই আরব, ইরানি, তুরানি, আফগান বা হিন্দুস্তানি ইসলামের বিপরীতে 'বাংলার ইসলাম'কে 'অর্গ্যানিক' বিধায় অধিকতর গ্রহণযোগ্য বলে হাজির করেন। কিন্তু এতে ইসলামের বিশ্বজনীনতা খণ্ডিত হয়।


২. নদীয়া যখন ফ্যান্টাসি: গায়ত্রী স্পিভাকের 'সাবঅল্টার্ন' লেন্স: 

গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাকের 'Can the Subaltern Speak?' (1988) তত্ত্বটি মজহার-মাহফুজ ধারায় দারুণভাবে কার্যকর। তারা ইসলামিস্টদের (বিশেষ করে তুরাসি বা ফিকহী ইসলামকে) একটি ‘সাবঅল্টার্ন’ বা অবদমিত গোষ্ঠী হিসেবে দেখেন—যাদের নিজস্ব কোনো ভাষা নেই। মজহার ও মাহফুজ নিজেদের সেই 'এলিট অনুবাদক' হিসেবে কল্পনা করেন—যারা ইসলামিস্টদের পক্ষ হয়ে কথা বলবে। কিন্তু এই কথা বলতে গিয়ে তারা ইসলামের মূল ভাষ্যকে (ফিকহ ও শরীয়া) পাশ কাটিয়ে 'নদীয়া' বা 'সহজিয়া' ভাবের একটি বয়ান দাঁড় করান। স্পিভাকীয় কায়দায় তারা ইসলামের একটি 'মর্ম' রূপ চিহ্নিত করেন নদীয়ার ভাবের মধ্যে—যা আসলে তুরাসি ইসলামকে গ্রাস করে ফেলতে চায়।


৩. তুরাসি ইসলামের 'ডিথিওলজাইজেশন': ফিকহ বনাম ভাব:

মজহারের কাছে ইসলাম কোনো 'ট্রান্সেন্ডেন্টাল' বা ওহী-নির্ভর ধ্রুব বিধান নয়; বরং এটি শোষিতের লড়াইয়ের একটি 'কালচারাল রিসোর্স'। তিনি ইসলামকে ব্যবহার করতে চান বিপ্লবের প্রয়োজনে। সমস্যাটা এখানেই—যখন আপনি ধর্মকে কেবল বৈপ্লবিক টুল হিসেবে দেখবেন, তখন আপনাকে ধর্মের সেই অংশগুলো ফেলে দিতে হবে—যা আধুনিক প্রগতিশীল বয়ানের সাথে সাংঘর্ষিক। এখান থেকেই শুরু হয় 'ডিথিওলজাইজেশন' বা ইসলামকে তার খোদায়ী সত্তা থেকে বিযুক্ত করার প্রক্রিয়া।


ফরহাদ মজহার ও মাহফুজ আলম যে 'নদীয়া তত্ত্ব' বা 'লোকায়ত ইসলাম'-এর কথা বলেন, ওয়ায়েল হাল্লাকের ভাষায় তা হলো এক ধরণের 'মডার্ন সাবজেক্টিভিটি'। হাল্লাক যেমন দেখিয়েছেন, আধুনিক রাষ্ট্র তার প্রয়োজনে ইসলামকে একটি ব্যক্তিগত বা আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতায় নামিয়ে আনতে চায় (The Impossible State, 2013)। মজহার-মাহফুজ ধারাটি অনেকটা সেই কাজটিই করছে।


তারা ইসলামের তুরাসি বা ক্লাসিক্যাল চিহ্নধারীদের (শরীয়া ও আকিদাগত অবস্থান) ‘ধর্মীয় জাতিবাদী’ হিসেবে আক্রমণ করছেন। তাদের এই বয়ানটি আসলে একটি 'বুদ্ধিবৃত্তিক আভিজাত্য' কিংবা 'এপিস্টেমিক কলোনিয়ালিজম' বা জ্ঞানতাত্ত্বিক উপনিবেশবাদ। লোকায়ত ধর্মের দোহাই দিয়ে তারা ইসলামের সেই রাজনৈতিক এবং আইনি কাঠামোকে (Legal framework) অস্বীকার করছেন, যা ত্বহা আবদুর রহমানের ভাষায় মুমিনের 'এথিক্যাল মডার্নিটি'-র অংশ। তারা ইসলামকে কেবল একটি 'কালচারাল পারফরম্যান্স' বা লালনপন্থি ভাবের আড়ালে লুকিয়ে ফেলতে চান, যাতে ইসলামের বৈশ্বিক রূপটি ঢাকা পড়ে যায়।


ওয়ায়েল হাল্লাক তার The Impossible State গ্রন্থে আরো দেখিয়েছেন, আধুনিক বুদ্ধিজীবীরা ইসলামকে তার সমাজ-রূপান্তরকারী আইনি সামর্থ্য থেকে সরিয়ে দিতে চান। মজহারের প্রজেক্ট মূলত ইসলামের একটি 'ডিথিওলজাইজড' বা ধর্মতত্ত্বহীন রূপ তৈরি করে। এখানে ইসলাম কেবল একটি সাংস্কৃতিক রূপক। এর নিজস্ব খোদায়ী ও নৈতিক উৎসগুলো এখানে গৌণ। ওয়ায়েল হাল্লাক বলেন, আধুনিকতা শরীয়াকে একটি মৃত প্রত্নতত্ত্বে পরিণত করতে চায়। মজহার-মাহফুজ ঠিক এই কাজটাই করছেন 'নদীয়া' কার্ড খেলে।


ফিকহী ইসলাম হল শৃঙ্খলাবদ্ধ, আইনি এবং নৈতিক কাঠামোবদ্ধ। যা মানুষের জীবনের প্রতিটি কাজের জন্য আল্লাহর কাছে জবাবদিহিতার ভয় ও দায়বদ্ধতা তৈরি করে। অন্যদিকে নদীয়ার ভাব অনেক বেশি বিমূর্ত, স্পষ্ট সংজ্ঞাহীন এবং অতিসহজে ভঙ্গুর।


মজহার যখন ফিকহী ইসলামকে ‘ধর্মীয়' জাতিবাদ কিংবা ফ্যাসিবাদ বলেন, তখন তিনি মূলত ইসলামের 'লিগ্যাল-এথিক্যাল' সত্তাকে ধ্বংস করে তাকে একটি 'ভাবকেন্দ্রিক ফোকলোর'-এ রূপান্তর করতে চান। অর্থাৎ, ইসলাম থাকবে শুধু ভাবে আর সংস্কৃতিতে—কিন্তু রাষ্ট্রীয় বা আইনি কোনো কাঠামোতে তার কোনো ভূমিকা থাকবে না। এটিই হলো ডিথিওলজাইজেশন।


৪. তাত্ত্বিক আধিপত্য ও মার্কসীয় প্রজেকশন:

এই প্রজেক্টের বড় কৌশল হলো ইসলামিস্টদের একটি 'লেফট-লিবারেল' (Left-Liberal) ছাঁচে বদলে দেওয়া্র চেষ্টা। মজহার যখন বলেন "পুঁজিই এখনকার খোদা", তখন তিনি নিজের মার্কসিস্ট পজিশনকেই ইসলামের মোড়কে হাজির করেন। জমি বা রিয়েল এস্টেটের ব্যক্তিগত মালিকানা নিয়ে তিনি যে বয়ান দেন—তা মালিকানা সংক্রান্ত ইসলামের বুনিয়াদি অবস্থানের প্রতিফলন নয়। বরং এটি তার নিজস্ব মার্কসীয় দৃষ্টিভঙ্গির একটি 'থিওলজিক্যাল প্রজেকশন'।


তিনি ইসলামিস্টদের 'বিপ্লবী সাবজেক্ট' হিসেবে গ্লোরিফাই করেন ঠিকই। কিন্তু এই গ্লোরিফিকেশনটি তিনি করতে চান তার নিজের তাত্ত্বিক আধিপত্য ও অর্গ্যাজমের প্রয়োজনে। ত্বহা আবদুর রহমান তার The Question of Ethics (২০১৭) বইতে এই ধরণের তাত্ত্বিক আধিপত্যকে মুমিনের 'নৈতিক আধুনিকতা'র (Ethical Modernity)-উপর এক ধরণের বুদ্ধিবৃত্তিক আক্রমণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।


৫. পিনাকী, মাহমুদুর রহমান ও উসমান হাদি: নৈতিক কনভারজেন্স:

পিনাকী ভট্টাচার্য ও মাহমুদুর রহমান—দুজনের কেউই মজহারের এইভাবে ইসলামকে 'ভাবের ফাঁদে ফেলার' প্রজেক্টে হাত মেলাননি। তারা ইসলামকে কোনো 'ল্যাবরেটরি এক্সপেরিমেন্ট' হিসেবে দেখেন না। তাদের কাছে ইসলাম একটি জীবন্ত রাজনৈতিক বাস্তবতা। তারা ফিকহী বা তুরাসি চিহ্নধারীদের (আলেম সমাজ ও তাদের কর্মীবাহিনী) কোনো ‘সাবঅল্টার্ন’ হিসেবে সংশোধন করতে হবে বলে মনে করেন না; বরং তাদের ঐতিহাসিক ভূমিকাকে সরাসরি স্বীকৃতি দেন। এই জায়গাতেই মজহারের ‘বুদ্ধিবৃত্তিক কলোনিয়ালিজম’ ব্যর্থ হয় আর পিনাকীর ‘মজলুম সংহতি’ সফল হয়।


মজহারীয় ধারার তাত্ত্বিক অভিভাবকত্বের বিপরীতে পিনাকী ভট্টাচার্য ও মাহমুদুর রহমানের অবস্থান কোনো কৃত্রিম তত্ত্বায়ন নয়। এটি রাজনৈতিক বাস্তবতাকে মেনে নেওয়ার এক অনিবার্য অর্গ্যানিক সংহতি। পিনাকী ভট্টাচার্য ইসলামের থিওলজি নিয়ে কোনো তাত্ত্বিক রায় দেন না। এই ধরনের গোস্তাখি বা অনধিকার চর্চা তিনি করেন না। একজন আপডেটেড ও আপগ্রেডেড কমিউনিস্ট হিসেবে তিনি ইসলামের রাজনৈতিক শক্তিকে একটি 'অপরিহার্য বাস্তবতা' হিসেবে দেখেন; এবং এর অন্দরমহলের সাথে একটি সমীহপূর্ণ দূরত্ব বজায় রাখেন। হাসান স্পাইকার তার 'Traditional Islam and the Living Reality' শীর্ষক আলোচনায় যেমনটি উল্লেখ করেছেন—ঐতিহ্যিক ইসলামকে কোনো তাত্ত্বিক ছাঁচে না ফেলে একে 'জীবন্ত বাস্তবতা' (Living Reality) হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়াই হলো বুদ্ধিবৃত্তিক সততা।


মাহমুদুর রহমান একজন প্র্যাকটিসিং আধুনিক মুসলিম হিসেবে তার রাজনীতি গড়ে তুলেছেন বাঙালি মুসলিমের ঐতিহাসিক পরিচয় ও জাতীয়তাবাদী ঐতিহ্যের উপর ভিত্তি করে। আর উসমান হাদি এই পুরো প্রবাহে যুক্ত করেছিলেন ইসলামের শাহাদাত ও কোরবানির এক অনন্য বয়ান। পিনাকীর 'শ্রদ্ধাপূর্ণ বস্তুনিষ্ঠতা', মাহমুদুর রহমানের 'পরিচয়ভিত্তিক সংহতি' এবং হাদির 'ইনকিলাবি শহীদি তামান্না'—এই তিনের মিলন কোনো একীভূত তত্ত্ব নয়। বরং জনগণের নাড়ির স্পন্দন বুঝতে পেরে তারা যে একই সমান্তরালে এসে দাঁড়িয়েছেন, তাকে বিশ্লেষকেরা একটি কার্যকর 'নৈতিক সংহতি' (Ethical Solidarity) হিসেবে দেখছেন।


৬. উপসংহার: আগামীর ঐক্য ও আমাদের করণীয়:

মজহার-মাহফুজের এই 'আঞ্চলিক ও মার্কসীয়' বয়ান ইসলামকে একটি বিশেষ তাত্ত্বিক খোলসে বন্দি করার পদ্ধতিগত প্রচেষ্টা। তারা ইসলামকে একটি 'বিপ্লবী বয়ান' হিসেবে হাজির করলেও এর সামগ্রিক নৈতিক সামর্থ্যকে তারা প্রায়শই নিজেদের ভাবাদর্শের অধীনস্থ করে রাখেন। এই বুদ্ধিবৃত্তিক চাপই আজ তরুণ বিপ্লবীদের মধ্যে কৃত্রিম বিভেদ তৈরি করছে।


আগামীর লড়াইটি হওয়া উচিত এমন এক ঐক্যের, যেখানে কেউ কাউকে তথাকথিত 'মেইনস্ট্রিম' করার দাতা-সুলভ লেন্স দিয়ে বিচার করবে না। ইসলামের নিজস্ব নৈতিক সক্ষমতা এবং ঐতিহাসিক পরিচয় বজায় রেখেই বৃহত্তর সংহতি গড়ে তুলতে হবে। নদীয়ার তাত্ত্বিক কুয়াশা কাটিয়ে একটি স্বচ্ছ ও ইনসাফভিত্তিক রাজনৈতিক সংহতি গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি।

কোন মন্তব্য নেই